শ্রীমঙ্গলের অপূর্ব সৌন্দর্য্যমন্ডিত Balishira Resort

সবুজে ঘেরা পরিপাটি ও ছিমছাম Balishira Resort যেন অরণ্যের কোলে এক টুকরো শ্রীমঙ্গল। আর তাতে ছবির মত সাজানো আছে কয়েক টুকরো শান্তির নীড়। শ্রীমঙ্গলে এসে ভ্রমণ পিয়াসীরা যাতে সারি সারি চাবাগান,সবুজ অরণ্য,উঁচু-নিচু টিলা, পাখ-পাখালীর ডাক সবই যেন এক পলকেই উপভোগ করতে পারে সেই ভাবনা বাস্তব প্রতিচ্ছবি এই রিসোর্ট।

এখানে নেই আভিজাত্যের আতিশয্য কিংবা কৃত্রিম অলংকার।তবে এখানে মিলবে ঐতিহ্য আর সাহিত্যের বিস্তর সমাহার।ছায়া ঘেরা এলাকাটির পাশেই বয়ে চলেছে একটি ছড়া(বুরবুরিয়া) যার জলধ্বনিতে মন জুড়িয়ে যায়। রিসোর্টটির আশেপাশে দেখা মিলে আদিবাসীদের জীবন সংগ্রামের চিত্র, চা বাগানের মনোমুগ্ধকর রুপ,আনারস,কলা আর কাঁঠাল বাগানের সৌন্দর্য্য।

এখানে রয়েছে ফ্যামিলি ও কাপলদের জন্য ভিন্ন বৈশিষ্টের আলাদা ভিলা। নজরজাড়া অভ্যন্তরীণ সজ্জায় সজ্জিত ৩টি ক্যাটাগরির ১২ টি রুমে আছে প্রকৃতির স্পন্দন, আধুনিক সকল সুবিধার সমাহার। এখানকার অন্যতম আকর্ষণ প্রাইভেট পুল যা আপনার ভ্রমণকে করতে পারে আরো উপভোগ্য কোন প্রকার প্রাইভেসির নষ্ট না করে।

দৃষ্টি নন্দন কটেজগুলোর নামকরণ করা হয়েছে উপন্যাস আর কাব্যগ্রন্থের নামে। মৃৎশিল্পী গোবিন্দপালের করা টেরাকোটার নকশায় লেখা নামের পাশাপাশি আছে সেই সাহিত্যিকের বইয়ের সংগ্রহশালা যা প্রযুক্তিনির্ভর প্রজন্মকে আহবান জানাবে সাহিত্যের ভূবনে। আড্ডার শেষে কাউকে ডাক দিবে “শেষের কবিতা”,কারো বেলা ফুরাবে “কালবেলা” তে।

রাতের রিসোর্টের সৌন্দর্য্য অতিথিদের মন কেড়ে নেয়, বাশঁবাগানের মাথার উপর থাকা চাঁদমামা দেখে শৈশবে চলে যেতে ইচ্ছে হয়। নির্জনবনের পাশে “বারবিকিউ নাইট” ও বেশ রোমাঞ্চকর। রিসোর্টের অভ্যন্তরের রেস্টুরেন্টে  মানসম্মত খাবার পরিবেশন করা হয়, সাজানো হয় স্থানীয় খাবারের পসরাও।সিলেটের বিখ্যাত সাতকরার ঘ্রাণে ‘ম”ম’করে ডাইনিং হল।

এখানে অবসাদগ্রস্থতা দূর করতে  সুইমিং পুল, মেজাজ ফুরফুরে রাখতে ব্যাডিমিন্টন, টেবিল টেনিস, লং টেনিস খেলার সুবিধা, বাচ্চাদের একঘেয়েমি কাটাতে আছে “কিডস জোন”। এই রিসোর্টটি শ্রীমঙ্গলের নয়নাভিরাম বেশিরভাগ পর্যটন স্পটের কাছাকাছি হওয়ায় এখানে অবস্থান করে সহজেই ঘুরে দেখা যাবে সবকিছু।

নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি শ্রীমঙ্গলে ঘুরতে এলে উপভোগের মাত্রা অনেকাংশে বাড়িয়ে দিবে বাহারি রুপের স্বপ্নবিলাসী বালিশিরা রিসোর্ট।

Share with your beloved

মন্তব্য করুন